1. multicare.net@gmail.com : news : VOICE CTG NEWS
বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
আজ থেকে গণটিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু মোরেলগঞ্জে স্পন্দনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি পালন ঝিকরগাছায় মৎস্যজীবী লীগের গাছের চারা ও করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ ধামরাইতে পূর্বশত্রুতার কারনে গাছ কর্তন হরিপুরে ছেলের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যু ভাষা শহীদ বিদ্যানিকেতন স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে ঘুষ নেওয়ার অভিযোশিক্ষক নাটোরে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকা গ্রহীতাদের উপচে পড়া ভিড় চিরিরবন্দর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৪ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার র‌্যাব-১৩ রংপুর কর্তৃক হেরোইনসহ ২ জন নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মোড়েলগঞ্জে বিএনপির উদ্যোগে করোনা সামগ্রী অর্থ সহায়তা প্রদান

পুঠিয়ায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলে দিশেহারা গ্রাহক

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৪৭ বার পড়া হয়েছে

সোহানুর রহমান পুঠিয়া রাজশাহী প্রতিনিধি
নাটোর পল্লী বিদুৎ সমিতি-১ এর রাজশাহীর পুঠিয়া জোনাল অফিসের অধিনে থাকা গ্রাহকরা বিদ্যুৎ বিল নিয়ে চরম দূর্ভোগে পড়েছেন। সাধারণ গ্রাহকদের অভিযোগ বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন তাদের ইচ্ছেমত ও মাত্রাতিরিক্ত টাকার পরিমান লিখে। নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দুই-চারদিন পেরিয়ে গেলেই তারা সংযোগ লাইন কেটে দেয়। এরপর বিলের সাথে অতিরিক্ত ৬০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হচ্ছে। এতে করে সাধারন খেটে খাওয়া মানুষ পরেছে চরম বিপাকে । নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর পুঠিয়া জোনাল অফিসের সুত্র অনুসারে উপজেলায় আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প ও কৃষি মিলে মোট ৭০ হাজার বিদুৎ গ্রাহক রয়েছে। যদি কোনো গ্রাহক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল না দেয় তবে তাদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে।বড় বড় শিল্প কারখানা অফিস গুলোর লাখ লাখ টাকা বকেয়া আছে আর ঐ বকেয়া টাকা পুরন করতে সাধারন জনগনের ওপর জুলুম করছে বিদ্যুৎ অফিস আক্ষেপ করে একজন বলেন করোনার করনে পরিবার পরিজন নিয়ে কোন রকমে বেঁচে আছি প্রতিমাসে বিল স্বাভাবিক আসলেও এইমাসে বিগত দিনের চেয়ে অনেক বেশী টাকা খরচ দেখিয়েছেন। তিনি বলেন, সব সময় আমাদের কাজ থাকেনা তাই নগদ টাকাও জমা থাকে না। এখন এই বিল না দিলে অফিসের লোকজন লাইন কেটে দিয়ে যাবে। আর ওই লাইন পুণঃসংযোগ নিতে গেলে অতিরিক্ত জরিমানার ৬০০ টাকার সাথে তাদের মিস্টি খাওয়ানোর টাকাও দিতে হয়। অতিরিক্ত বিল নিয়ে বিপাকে একজন গ্রাহক বলেন, বিগত সময় আমাদের মিটারের বিল ৫০০ থেকে সাড়ে ৬০০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। অথচ এই মাসে বিল এসেছে ২ হাজার টাকা। কিভাবে এতো টাকা বিল আসলো তা জানতে অফিসে আসলেও দায়সারা উত্তর দেয় বলে মিটার পরিক্ষা বা পরিবর্তন করতে পারেন আপনারা যেমন ব্যবহার করেছেন বিল তেমনই এসেছে। তবে অভিযোগ আছে বিদ্যুৎ অফিসের লোক নাকি মিটার না দেখেই ইচ্ছামতো বিদ্যুৎ ইউনিট লেখেন আবার বিদ্যুৎ বিলের কাগজ গ্রাহকদের নিকট ঠিক সময় মতো পৌঁছায় না। প্রতি গ্রাহকের হাতে বিদ্যুত বিলের কাগজ না দিয়ে বরং একজনকে ১৫-২০ টা বিলের কাগজ ধরিয়ে দিয়ে আসেন এমন পরিস্থিতিতে ঐ গ্রাহক যে কোন কারনে অন্যদের বিলের কাগজ না দিলে তারা পরে চরম বিপাকে বিলের কাগজ হাতে পায় না তাই তারা বিল এসেছে কিনা তা জানতেও পারে না তবে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের সময় অতিক্রম হলেই অফিসের লোক এসে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। বিদ্যুৎ অফিসের লোকজনের খামখেয়ালি আর দায়িত্ব অবহেলার কারনে সাধারন গ্রাহকের ভোগান্তি যেন চরমে। তবে সকলের প্রত্যাশা একটাই আগামীতে যেন এমন ভোগান্তির শিকার তারা না হয় এবং বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে এই বিষয়ে দায়িত্বশীল পদক্ষেপ গ্রহন করবে উর্ধতন কর্মকর্তারা

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

সর্বশেষ খবর