1. multicare.net@gmail.com : news : VOICE CTG NEWS
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আজ থেকে গণটিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু মোরেলগঞ্জে স্পন্দনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি পালন ঝিকরগাছায় মৎস্যজীবী লীগের গাছের চারা ও করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ ধামরাইতে পূর্বশত্রুতার কারনে গাছ কর্তন হরিপুরে ছেলের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যু ভাষা শহীদ বিদ্যানিকেতন স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে ঘুষ নেওয়ার অভিযোশিক্ষক নাটোরে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকা গ্রহীতাদের উপচে পড়া ভিড় চিরিরবন্দর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৪ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার র‌্যাব-১৩ রংপুর কর্তৃক হেরোইনসহ ২ জন নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মোড়েলগঞ্জে বিএনপির উদ্যোগে করোনা সামগ্রী অর্থ সহায়তা প্রদান

লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বিভিন্ন অনিয়ম ও লুটপাটের আখড়ায় পরিণত হয়েছে

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ আগস্ট, ২০২১
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

মোঃ শরিফুল ইসলাম লালপুর, ( নাটোর )প্রতিনিধি :
নাটোরের লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বিভিন্ন অনিয়ম ও লুটপাটের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। করোনাকালীন সরকারের বরাদ্দকৃত ১৮ লাখ ২৭ হাজার ৬৮০ টাকার অনিয়ম ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে ইপিআইসহ (টেকনিশিয়ান) উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এছাড়া করোনা টেস্টে রোগীদের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মচারীরা। জানা যায়, ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলার তহবিল থেকে ১৮ লাখ ২৭ হাজার ৬৮০ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয় লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এতে আপ্যায়ন ব্যয় ১১ লাখ ২৩ হাজার ২শ টাকা, পরিবহণ ব্যয় ১ লাখ ২৯ হাজার ৪০ টাকা, ভ্রমণ ব্যয় ১ লাখ ৮শ টাকা, স্বাস্থ্য বিধান বরাদ্দ সামগ্রী বাবদ ৪০ হাজার ৩৬০ টাকা, সম্মানী বাবদ ২৫ হাজার ২শ টাকা, প্রশিক্ষণ বাবদ ৮৮ হাজার ৯৬০ টাকা, স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষণ বাবদ ৪০ হাজার ৮০ টাকা রাখা হয়। এসব খাতে অর্থ ব্যয় করার কথা থাকলেও ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয় করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তৃপক্ষ। অবশিষ্ট ১৬ লাখ টাকার অনিয়ম ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে টেকনিশিয়ান ফখরুজ্জামান সরকার বুলবুলসহ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহাবুউদ্দিনের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে চৌকিদার ফরিদ ইসলাম ও জিয়াউর রহমান জানান, করোনার সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হাসপাতালে ডিউটি করেছি। করোনাকালে ৬ জন চৌকিদারকে ১৮০০ টাকা করে দিয়েছে। অথচ বিল করেছে ৪০ হাজার টাকার। এ বিষয়ে হাসপাতালের কম্পিউটার অপারেটর সুবির কুমার দাস জানান, করোনার ১ম থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছি। কাজ করতে গিয়ে কয়েকবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছি। অথচ তাকে মাত্র ২ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। করোনা রোগীদের টিকিট ক্লার্ক এনামুল হক জানান, করোনাকালীন রোগীদের শনাক্ত টেস্টের সরকারিভাবে টাকা নেওয়া নিষেধ থাকলেও রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্সের চালক প্রদীপ কুমার সরকার জানান, করোনাকালীন ঝুঁকি নিয়ে অনেক রোগী রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেছি অথচ করোনার বরাদ্দ একটি টাকা তাকে দেওয়া হয়নি। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টেকনিশিয়ান ফখরুজ্জামান সরকার বুলবুল বলেন, টাকাটা যাদের জন্য বরাদ্দ দেওয়ার কথা উল্লেখ আছে তাদের দেওয়া হয়েছে এবং উদ্বৃত টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শাহাবুদ্দিন ১৮ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে যেহেতু কোনো কার্যক্রম ছিল না এজন্য ইউনিয়নের বরাদ্দকৃত টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বরাদ্দকৃত টাকা বণ্টনের দায়িত্বে বুলবুল সাহেব ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

সর্বশেষ খবর