1. multicare.net@gmail.com : news : VOICE CTG NEWS
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আজ থেকে গণটিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু মোরেলগঞ্জে স্পন্দনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি পালন ঝিকরগাছায় মৎস্যজীবী লীগের গাছের চারা ও করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ ধামরাইতে পূর্বশত্রুতার কারনে গাছ কর্তন হরিপুরে ছেলের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যু ভাষা শহীদ বিদ্যানিকেতন স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে ঘুষ নেওয়ার অভিযোশিক্ষক নাটোরে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকা গ্রহীতাদের উপচে পড়া ভিড় চিরিরবন্দর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৪ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার র‌্যাব-১৩ রংপুর কর্তৃক হেরোইনসহ ২ জন নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মোড়েলগঞ্জে বিএনপির উদ্যোগে করোনা সামগ্রী অর্থ সহায়তা প্রদান

কাউনিয়ায় হাঁস পালন করে বেকারত্ব লাঘবের চেষ্টা

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২২ আগস্ট, ২০২১
  • ৮৭ বার পড়া হয়েছে

মোঃসাইফুল ইসলাম কাউনিয়া(রংপুর) প্রতিনিধিঃ
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বেকার তর“ণরা বাণিজ্যিক ভিত্তিতে হাঁস পালন করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। এরা নিজের মাছের পুকুরে, কেউবা ধানের জমিতে মাছ চাষের পাশাপাশি এ হাঁস পালন করছেন।

তাদের হাঁস পালন দেখে উপজেলার অনেক বেকার যুবকই এখন ঝুঁকছেন হাঁসের খামারের দিকে। উপজেলায় গড়ে উঠেছে ছোট-বড় ৯৮ টিরও বেশি হাঁসের খামার।

কাউনিয়া উপজেলার উত্তর রাজিব গ্রামের দেলোয়ার হোসেন এরশাদ বলেন, এক সময় রাজনীতি করে সারাদিন বাইরে ঘুরে বেড়িয়েছি। এতে নিজের অনেক ক্ষতি হয়েছে তিন বছর আগে রাজনীতির পাঠ চুকিয়ে বাবার ‘দুই একর জমির একটি পুকুরে প্রথমে মাছ চাষ শুর“ করি। সেখানেই মাছ চাষের পাশাপাশি ১৬০টি দেশি ক্যাম্বেল হাঁস পালন করে বাড়তি উপার্জন করছি।’বর্তমানে তার খামারে ২৭৫ টি দেশি হাঁস আছে। তিনি বলেন, গতবছর ৯০টি মাদি হাঁসের টানা দুই মাসের ডিম বিক্রি করে খামার থেকে ৫০হাজার টাকা আয় হয়েছে। এছাড়াও হাঁস বিক্রি করেছে প্রায় ৩০হাজার টাকা। এছাড়াও পুকুরে উপর হাঁসের খামার হওয়ায় মাছের খাদ্য হিসেবে গত তিন বছরে তার বাড়তি আয় হয়েছে আরো তিন লাখ টাকা। আগামীতে ডিমের উৎপাদন আরও বাড়বে বলে আশা করছেন তর“ণ এ উদ্যোগক্তা।

একই গ্রামের মৃত খগেন্দ্র নাথ বর্মনের ছেলে বোটানিতে মাস্টার্স পাশ করা বেকার যুবক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বর্মন জানান, তিনি কুড়িগ্রাম সরকারী কলেজে লেখাপড়া শেষ করে কোন চাকরী না পাওয়ায় গ্রামে বাপের জমি জমা দেখা শুনা করছি। তিনি বলেন তাদের অধিকাংশ জমিতে মাছ চাষ হয়। মাছের খাদ্য কিনতে তাকে হিমসিমে পড়তে হয় তাই তিনমাস আগে মাছের খামারের উপর হাঁস পালন করেছি। তিনি বলেন, হঁাসের খামার দেয়ার পর থেকে তাদের পুকুরে আর বাড়তি খাদ্য দিতে হয় না।

শিক্ষিত বেকার মৃত্যুঞ্জয় বলেন, ‘পরিবারকে সহযোগিতা করার জন্য লেখা পড়া শিখেছি। লেখা পড়া করার পরেও কোন সরকারী চাকুরী না হওয়ায় হাঁস পালন শুর“ করি। হাঁস পালনে আমার পরিচর্যা কম করতে হয়। পুকুরের, লতা, পাতা ও প্রাকৃতিক খাদ্যই তারা বেশি খায়।’

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: মনোজিত কুমার বলেন, ‘উপজেলায় ছোট-বড় ৯৮টির ওপর হাঁসের খামার রয়েছে। বেকার যুবকদের উদ্বুদ্ধ ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে খামার বাড়াতে চেষ্টা করছি। পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে এসব খামার দেখভালের কাজ করছেন আমাদের মাঠ কর্মীরা।’বর্তমানে সরকার বেকার যুবকদের স্বাবলম্বী করতে নানা ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

সর্বশেষ খবর