1. admin@www.doinikalokitopotrika.com : দৈনিক আলোকিত পত্রিকা :
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ১০:৩৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
গোবিন্দগঞ্জে জোরপূর্বক চলাচলের রাস্তা কেটে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার অভিযোগ। মেহেরপুরে লকডাউনের ৩য় দিনে আরও ৬০ জন করোনায় আক্রান্ত। সাংবাদিকদের সাথে হারাগাছ পৌর মেয়র এরশাদের মতবিনিময় নওগাঁর আত্রাইয়ে চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় লকডাউন বিধি নিষেধ অমান্য করে বিয়ে অনুষ্ঠিত লালপুরে কঠোর লকডাউনের ৩য় দিনে ৮ ব‍্যক্তিকে অর্থদণ্ড সাতক্ষীরা হেল্পলাইন ফাউন্ডেশন’র উদ্ধোগ্যে মাস্ক বিতরণ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত শ্রীমঙ্গল খাদ্য অধিদপ্তর পরিচালিত ওএমএস এর ৩০ টাকা কেজি চাল বিক্রি কার্যক্রম শুরু মোরেলগঞ্জ পৌরসভায় নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ও এম এস কার্যক্রমের উদ্বোধন। কোভিড-১৯ স্যাম্পল কালেকশন কার্যক্রম এগিয়ে যাচ্ছে ঈদগাঁওতে

খানসামায় ছাত্রলীগের ১ বহিস্কার,২ শোকজ প্রতিবাদে ও ধীমান কে বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জুলাই, ২০২১
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

উজ্জ্বল রায়, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা ছাত্রলীগের ১জনকে বহিস্কার ও ২জনকে শোকজের প্রতিবাদে ও ধীমান দাসের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের এবং তার পদ থেকে বহিস্কারের দাবিতে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত।

গত ১৭/০৭/২০২১ শনিবার বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ১ জনকে বহিষ্কার ও ২ জনকে ৭ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ নির্দেশ প্রদান করেন।

তারই ধারাবাহিকতায় ১৭ তারিখ থেকে টানা খানসামা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ৩ দিন বিক্ষোভ মিছিল করে খানসামা উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দরা।
এর ন্যায় ১৯/০৭/২০২১ সোমবার বিকেলে মূল ঘটনার বিষয়ে তথ্য উপাধ্য সংগৃহীত না করে ও তদন্ত ছাড়াই অন্যের দারায় প্রভাবিত হইয়া খানসামা উপজেলার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল হাসান মাহমুদ আলী এমপির নিজস্ব ইউনিয়ন ২নং ভেড়ভেড়ী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেনের বহিস্কার ও খানসামা উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক লিটন ইসলাম লিটু এবং ৪নং খামারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক সবুজ হোসেন এর শোকজের প্রতিবাদে ও ধীমান দাসের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও তার পদ থেকে বহিস্কার দাবি জানিয়ে খানসামা উপজেলার পাকেরহাটে আওয়ামী লীগের দলীয় অফিসের সামনে থেকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিটের ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দরা বিশাল বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে পাকেরহাটের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে পাকেরহাট শাপলা চত্বরে এসে সমাবেশ করে বিক্ষোভ মিছিলটি শেষ হয়।

খানসামা উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক চন্দ্রদ্বীপ কাওয়ালী এর সঞ্চালনায় আওয়ামী মৎস্য জীবী লীগের যুগ্ম আহবায়ক মির্জা মান্নুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলার সাবেক ছাত্রলীগের আহবায়ক ও আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম,উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক লিটন ইসলাম লিটু,হারুন অর রশিদ, সুমন শাহ, সদস্য বিজয় সংকর , উপজেলা আওয়ামী মৎস্য জীবী লীগের আহবায়ক ও খানসামা ডিগ্রি কলেজের সহ সভাপতি সুশান্ত মহন্ত, উপজেলা আওয়ামী মৎস্য জীবী লীগের সদস্য সচিব ও ৪নং খামারপাড়া ইউনিয়নের আহবায়ক সবুজ হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক সাজু ইসলাম।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক আসাদুজ্জামান আসাদ,উজ্জ্বল রায়,নিখিল সরকার, উপজেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের যুগ্ম আহবায়ক শেখ নুরজামাল,সাজু ইসলাম,পিযুষ রায়,সাকিউল ইসলাম,সদস্য আব্দুল হালিম,শাহাজাহান,শফিকুল ইসলাম সহ ছাত্রলীগ নেতা জয় রায়,লিটন সরকার,পারভেজ ইসলাম ও বিভিন্ন ইউনিটের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।

এসময় উপজেলার সাবেক ছাত্রলীগের আহবায়ক রেজাউল করিম বলেন,ধীমান দাস ২০১১ সালে ছাতিয়ানগড়ের রব্বানীর স্ত্রীকে ধর্ষন করতে গিয়ে ধরা পরে। তাকে পুলিশ থানায় নিয়ে যায় এবং কোড পর্যন্ত তার মামলা চলে।তারপর জয়ন্ত ও সুশান্ত মহন্ত নামে একজনের বাড়ি ভেঙ্গে মন্ডব তৈরি করে। সেই মন্ডব ভেঙ্গে ধীমান দাস তার নিজের ভাইকে ঘর তুলে দেয়।এটি আপনাদের হিন্দু মানুষের জানা উচিত এবং তার সম্পর্কে সজাগ থাকা উচিত।
এই ধীমান দাস ছাতিয়ানগড় সরকারি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক বিনয় কে থাপ্পড় মারে। বিনয়ের অপরাধ হলো -ধীমান দাসের মেয়েকে শাসন করে থাপ্পড় মারা।আপনারা জানেন একজন শিক্ষক তার ছাত্রীকে শাসন করতেই পারে।ধীমান দাস পাকেরহাটের মিথিল ঘোষকে অপদস্ত করার কারনে তাকে সাধারণ মানুষ ঘেরাও করে।এই ধীমান দাস পাকেরহাটের জাকির মার্কেটে তাস খেলার অপরাধে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যায় এবং ইউএনও স্যারের মাধ্যমে সাজা হয়।

তিনি আরো বলেন, ছাতিয়ানগড় জালিয়া পাড়ায় অন্যায় ভাবে হিন্দুদের প্রতি যখন আঘাত করা হয়েছিল। তখন সেদিন জীতেন্দ্রনাথ ও কিশোর বাবু কোথায় ছিলেন।
ধীমান দাস খানসামা উপজেলা হিন্দু মুসলমান মানুষের দাঙ্গা সৃষ্টি করার চেষ্টা করতেছে।তিনি একক সময় একক রুপ ধারণ করে তার অপরাধ ঢাকতে চায়।তিনি নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য কখনো সাংবাদিক, কখনো পুজা উদযাপনের সভাপতি ও কখনো ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রুপ নেয়।সেদিন ৩০ জুন ঘটোনার দিন আমি সেখানে যাইনা।আমাকে আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ ও খানসামা থানা এসআই গৌতম ফোন করে সেখানে উপস্থিত হতে বলেন। তাদের কথামতো আমি ছেলেদের আটকা আটকি করছিলাম। কিন্তু ধীমান দাস কি করলো। আমাকেই ১ নম্বর আসামী করলো।আমার দোষ হলো আমি তার সাথে ভোটে প্রতিদন্দী করেছিলাম। তিনিতো আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে বিপুল ভোটে আমার সাথে পরাজিত হয়।সেই কারনে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে বারবার হয়রানি করতেছে এবং আমার সাথে ছাত্রলীগের ছেলেরা ভোট করায়। তাদেরও প্রতি ক্ষোভ সৃষ্টি করে হয়রানি করতেছে।
আরেকটা কথা, ধীমান দাস বারবার বলেছিলেন সাবেক ছাত্রলীগের নেতারা আমার উপর হামলা করেছে।আরে ভাই আমিতো সদ্য সাবেক। কিন্তু সেখানেতো জেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক শেখ রফিকুল ও খানসামা উপজেলা সাবেক ছাত্রলীগের নেতা আবুল কালাম আজাদ ভাই ছিলো। তাদের কেনো আসামি করলেন না কেনো। এর জবাব চাই এবং আমি উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তফা আহমেদ শাহ ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সফিউল আযম চৌধুরী লায়ন স্যারকে জোর দাবি জানাচ্ছি। এই ধীমান দাসের সকল অপকর্মের মুল তথ্য যাছাই করেন।সত্যতা যাচাই করে তার পথ থেকে সাংগঠনিক ব্যাবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি। এই দাবি না মানলে, দ্রুত ধীমান দাসকে তার পদ থেকে বহিষ্কার না করলে।আমি সাবেক ছাত্রলীগ ও বর্তমান ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ সহ বর্তমান সকল ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নিয়ে কঠোর থেকে কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।

আরও বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বলতে চাই। আপনারা কারো কথায় শুনে। মুল তথ্য উদঘাটন না করে,না শুনে। বর্তমান ছাত্রলীগ নেতা সাজ্জাদকে বহিষ্কার ও লিটন, সবুজকে শোকজ করেছেন এটির তিব্র নিন্দা জানাই এবং দ্রুত এদেরকে মুল তথ্য উদঘাটন করে পুনরায় তাদের পদে বহাল রাখার জোর দাবি জানাচ্ছি

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত